সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দিরাই পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ২৭ বছর, নাগরিক সুবিধা সেই তিমিরে ছাতকে অনুমোদনহীন দুই শতাধিক চুনের কারখানা সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ক্লিনিক নয়, প্র্যাকটিসও বন্ধ পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের হুঁশিয়ারি ‎পটিয়া থেকে ৫১৪৮, এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগের চিত্র জেলায় ৫১ নদী-খালের ২০০ কি.মি. খননের পরিকল্পনা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা দোয়ারাবাজারে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন সুনামগঞ্জ শহরে মারামারি, নিরপেক্ষ তদন্ত চায় শ্রাবণের পরিবার দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ, সুনামগঞ্জে যুবদলের মিছিল সমাবেশ ‎বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে হাওরের সড়কজুড়ে শতাধিক তালগাছের চারা রোপণ ‎জাতিসংঘে তারেকের প্রথম ভাষণ, সামনে বাংলাদেশের নতুন বার্তা ‎বাংলা কিউআর বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতবিনিময় সভা ও র‍্যালি রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনসাধারণের ক্ষোভ তাহিরপুরে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বহিষ্কার সোনালী চেলা নদীতে ড্রেজারের তান্ডব থামেনি সাদাসিধে জীবন, আলোকিত কর্মযাত্রা নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সদরে উপজেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
পানি ছাড়া কিছুই পায়নি ফায়ার সার্ভিস

ধানমন্ডি ৩২ : দিনভর ‘আয়নাঘর’ উত্তেজনা

  • আপলোড সময় : ১০-০২-২০২৫ ০৮:১০:২৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০২-২০২৫ ০৮:১০:২৯ পূর্বাহ্ন
ধানমন্ডি ৩২ : দিনভর ‘আয়নাঘর’ উত্তেজনা
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির নিচে ‘আয়নাঘর’ আছে। ওই বিল্ডিংয়ের বেজমেন্টে জমে থাকা পানির নিচে আরও ফ্লোর আছে এবং সেখানে আছে অনেক রহস্য - এমন কথাও শোনা গেছে। এমন রহস্যের খোঁজে রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে পানি সেচের কাজ শুরু করে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের ফাইটাররা। দুপুর পর্যন্ত পানি সেচে সেখানে আর কিছু না পেয়ে ফিরে যান তারা। তবে জমে থাকা পানিগুলো বৃষ্টির বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ম্যানেজার মিজানুর রহমান। ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির বেজমেন্টে সকাল থেকে পানি সেচ করার কাজ করছিল ফায়ার সার্ভিস। কয়েক দিন ধরে এই বাড়ির বেজমেন্টের জায়গা নিয়ে চলছিল নানা আলোচনা। তবে সকাল থেকে সেচে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন দুপুর সোয়া ১টার দিকে। এ সময় তারা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনও কথা বলেননি। তবে পরে যোগাযোগ করা হলে মিজানুর রহমান বলেন, পানি ছাড়া তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। আমরা বেজমেন্টের পানি সেচে লেকে ফেলেছি। পানি সেচ করার পর দেখলাম খালি যেই জায়গা আছে ৫ ফিটের মতো, সেটি লিফটের জন্য করা হয়েছে। সিঁড়ির পাশেই এই জায়গা। আমরা পুরো পানি সেচ করে দুপুর দেড়টায় চলে আসি। পানির উৎস সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি নির্মাণাধীন ভবন। প্রথম তলার কাজ শেষ হয়নি। ছাদ পুরো খোলা। জমে আছে বৃষ্টির পানি। রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১১টা থেকে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা যায়, বিল্ডিংয়ের বেজমেন্টে উৎসুক মানুষের ভিড়। নানা বয়সের নারী-পুরুষ সেখানে আসছেন এবং ঘুরে দেখে চলে যাচ্ছেন। কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে বলেন, এখানে কী জানি পাওয়া গেছে, তাই দেখতে এসেছি। মাসুম নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, এখানে ‘আয়নাঘর’ আছে। এখানে পানির নিচে অনেক ঘর আছে। মানুষের ব্যবহার করা জিনিসপত্র পাওয়া গেছে বলে শুনেছি। তবে এখনও দেখিনি। ওই বিল্ডিংয়ের যে জায়গাটি ঘিরে এত আলোচনা সেখানে নেমে পানি সেচ করছিলেন একজন তরুণ শ্রমিক। তিনি পানির নিচে হাতিয়ে দেখেছেন বেশ কিছুক্ষণ। তবে কিছু না পেয়ে পরে উঠে যান। যাওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞাসা করলে বলেন, নিচে কিছু নাই, এটা লিফটের জন্য জায়গা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনলাইনে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদস্বরূপ ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ ‘ছাত্র-জনতা’। বাড়ির পাশেই নির্মাণাধীন ভবনে উপস্থিত হয় বিক্ষুব্ধরা। সেই ভবনের কয়েক তলা বেজমেন্ট দেখতে পায় তারা। তার মধ্যে দুই তলা পর্যন্ত নামতে পারলেও পরবর্তী ফ্লোরে পানি দেখা যায়। অনুমান করা হয়, নিচে আরও কয়েকটি তলা রয়েছে। তবে দুপুরে এই পুরো বেজমেন্টে সরেজমিন দেখা যায়, এর প্রথম তলা শুকনো থাকলেও দ্বিতীয় তলায় পানি জমে আছে। এই পানির ভেতর অনেককেই ‘কোনও কিছু’ খুঁজতে দেখা যায়। আবার কাউকে কাউকে বেরিয়ে থাকা রড কেটে নিয়ে যেতেও দেখা গেছে। -বাংলা ট্রিবিউন

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ছাতকে অনুমোদনহীন দুই শতাধিক চুনের কারখানা

ছাতকে অনুমোদনহীন দুই শতাধিক চুনের কারখানা